Friday, July 13, 2018

অন্তমিলে 'তীর'

  তীর, বান, কন্টক, শেল
        শিলিমুখ, শর,
   শল্য, শায়ক, শিশিখ
        কঙ্কপত্রর।

Sunday, May 27, 2018

যেখানে তিলাওতে সিজদাহ আছে

হানাফি মাজহাব মতে পবিত্র কোরআনে কারিমের সিজদার আয়াতসমূহ হলো-

১. সূরা আরাফ, আয়াত ২০৬।‍

২. সূরা আর রাদ, আয়াত ১৫। 

৩. সূরা আন নাহল, আয়াত ৪৯। 

৪. সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত ১০৯। 

৫. সূরা মারইয়াম, আয়াত ৫৮। 

৬. সূরা হজ, আয়াত ১৮। 

৭. সূরা আর ফোরকান, আয়াত ৬০। 

৮. সূরা আন নামল, আয়াত ২৬। 

৯. সূরা আস সিজদাহ, আয়াত ১৫। 

১০. সূরা সাদ, আয়াত ২৫। 

১১. সূরা হা-মীম সিজদা, আয়াত ৩৮। 

১২. সূরা আন নাজম, আয়াত ৬২। 

১৩. সূরা আল ইনশিকাক, আয়াত ২১। 

১৪. সূরা আল আলাক, আয়াত ১৯।

Wednesday, April 4, 2018

ঋতুরাজের আগমনে

ঋতুরাজের আগমনে

মুহাম্মদ আবদুল মান্নান ইয়াকুবী,

শাখায় শাখায় ফুল ফুটেছে গুঞ্জরে তাই অলি,
পুলকিত পাখপাখালির চলছে কলকাকলি।

বইছে এখন মধুর মলয় ফুলের গন্ধমাখা,
আম্রবনে ঝুরঝুরে বোল ঝুলায় আম্রশাখা।

পল্লবীতে মুহুর্মুহু চলছে কুহুতান,
সুরের সেরা এ কূজনে জুড়ায় সবার প্রাণ।

'বউ কথা কও' কণ্ঠ ভাসে ওই যে নীলাম্বরে,
পাপিয়া আর দোয়েেল পাখি উল্লাসে গান করে।

প্রকৃতি আজ পরিহিত এক অপরূপ সাজ,
বর্ণে-গন্ধে সুর ও ছন্দে মুগ্ধ সবাই আজ।

মলয় এসে বাংলা থেকে শীত করেছে তাড়া,
বনে বনে পড়ছে এখন ফুল ফুটাবার সাড়া।

গোলাপ, গাদা, হাস্নাহেনা আর মালতিসহ,
বঙ্গে চলছে নানা বর্ণের ফুলের সমারোহ।

টকটকে লাল কৃষ্ণচূড়া দোলে শাখায় শাখায়,
রক্তেগড়া স্বাধীনতার রাঙ্গা স্মৃতি জাগায়।

নিসর্গ আজ রূপের খনি দেখলে জুড়ায় মন,
আনন্দ আর উৎসবমুখর আছে সব অঙ্গন।

শীতের ভয়ে অলস বসে নেই কেহ আর ঘরে,
সবার মাঝে প্রাণচাপল্য জাগছে নতুন করে।

প্রকৃতিও নেই এখন আর রূপে ধুসরমাখা,
কিশলয়ে ন্যাড়া বৃক্ষ,ওড়ায় জয় পতাকা।

বঙ্গমায়ের ফুটছে হাসি ঘোমটাহীন সে আজ,
শ্যামল রূপের বাহার তাকে দিচ্ছে ঋতুরাজ।
                .........

Saturday, March 17, 2018

সাবধান বাণি

মুহাম্মদ আবদুল মান্নান ইয়াকুবী

নয়ন মেলে ওরে মুসলিম
      দেখরে তোর চারপাশে,
  জাগছে সকল দুর্বল জাতি
        বিজয়ের উল্লাসে।
  
তারাই এখন তোদের নিয়ে
               করে ধ্বংসের খেলা,   
তবু তাদের পা চাটিয়ে
              কাটাস কেনো বেলা?
                   .....

Sunday, March 4, 2018

অচেনা পাখি

    অচেনা পাখি

মুহাম্মদ আবদুল মান্নান ইয়াকুবী

বিজন বনে কূজন করে
    অচেনা এক পাখি,
রূপমাখা সে পাখিটাকে
    দেখলে জুড়ায় আঁখি।

বনকে মুখর রাখে পাখি
    তার সুরেলা গানে,
ওই সুরে সব অলস প্রাণে
    সজিবতা আনে।

না বলা যে কথা সবে
     মনে চেপে রাখে,
অশ্রুত তার সুর দিয়ে তা
       ব্যক্ত হয়ে থাকে।

মোহমুগ্ধ কন্ঠটি তার
    বিজন বনে ভাসে, 
তাই অচেনা পাখিটাকে
      সবাই ভালোবাসে। 
               .......

    

 
     

    
   

Thursday, February 15, 2018

খলনেতা

মুহাম্মদ আবদুল মান্নান ইয়াকুবী

নেতা হলে নীতিহীন
    খুনী, প্রতারক,
সমাজটা হয়ে যায়
     নিমিষে নরক,

যদি হয় সে মিথ্যুক
   লোভী ও নিন্দুক,
জনতা পায় না আর
    শান্তি ও সুখ।

রক্তপাত আর দাঙ্গা
  নিত্য থাকে চাঙ্গা,
পুরোজাতি হয়ে যায়
   মেরুদন্ড ভাঙ্গা।

চাঁদাবাজি, ধোঁকাবাজি
   গলাবাজি, যতো,
নিজ স্বার্থে স্বজাতিতে
    চলে অবিরত ।

ত্রাসের দাপটে সদা
   থাকে সব ঠান্ডা ,
প্রতিবাদ করা হলে
  চলে গুলি ডাণ্ডা।

অশান্তির দাবানলে
  জ্বলে দেশবাসী
তাইতো ফুটেনা কভু
 কারো মুখে হাসি।
            ---

Saturday, December 23, 2017

কবিগণের প্রতি

মুহাম্মদ আবদুল মান্নান ইয়াকুবী

ফেইসবুকে দেখি এখন
        কবি শত শত,
লেখে যাচ্ছেন গান, কবিতা
        যার যা ইচ্ছে মত।

কাউকে দেখছি সনেট কবি
      কাউকে কবি গদ্যের,
কাউকে দেখছি লেখছেন কাব্য
      অমিত্রাক্ষর ছন্দের।

কেউ কেউ লেখছেন মাত্রা, স্বর
     আর অক্ষরবৃত্তের ছড়া,
ছন্দের বিচার করলে দেখি
        সবই ভুলে ভরা।

কেউ কেউ আবার লিখে যাচ্ছেন
       কাব্য লিমেরিক,
প্রায় কবিদের লিমেরিকের
        কাঠামো নেই ঠিক।
      
লেখায় শব্দের অপপ্রয়োগ
       আর বানানে ভুল,
পড়তে গিয়ে দেখে লোকে
        হৃদয়ে পায় শূল।

ণত্ব, ষত্ব,  সমাসবদ্ধ
     পদ প্রয়োগের বেলায়,
জ্ঞানস্বল্পতা অনেক কবির
    মাঝে দেখা যায়।

সেরা কবির স্থান নির্নয়ে
     প্রায় বিচারকগণে,
মারাত্মক ভুল করে থাকেন
      হাসেন সর্বজনে।

দুর্বল কবির দাপট দেখে
         বিজ্ঞ কবিগণ,
ফেইসবুকে লেখতে চান না
          কবিতা এখন।

কবি হলেন ধারক বাহক
      আপন ভাষার ভবে,
ভাষায় করলে ভুলটি তিনি
       ভাষা পঙ্গু হবে।

বাংলা হলো বিশ্ববুকে
     গর্বিত এক ভাষা,
কবির লেখা যেনো ভাষার
      না হয় সর্বনাশা।

অলসতা করবেন না আর
    একটু হোন সাবধান,
কবিগণকে বলছি আমি
     দিয়ে যথামান।

ব্যাকরণের নিয়মসহ
     ছন্দ প্রকরণ,
শেখতে কবির করতে হয় না
      বেশি কালক্ষেপণ।

ফেইসবুকের লেখা ঘুরে
         বিশ্বচরাচরে,
একথাটি মাথায় রাখবেন
         সকল কবিবরে।

কবিগণের লেখা যদি
     থাকে ভুলে ভরা,
এ ডিজিট্যাল যুগে তারা
    খাবেন দারুন ধরা।

তাই অনুরোধ করছি ওহে
      কবি বন্ধুগণ,
ভাবেভরা নির্ভুল লেখা
       লেখে ধন্য হোন।

পরিশেষে চেয়ে নিচ্ছি
     সবার কাছে মাফ,
দেশের সকল কবি পার হোক
      সব সাফল্যের ধাপ।
            ......

চেতনা

              চেতনা

    মুহাম্মদ আবদুল মান্নান ইয়াকুবী
                        .......... 

আ        আমার মনে জাগ্রত যে চেতনা,
ব          বজ্রকণ্ঠে করছি তা' আজ ঘোষণা।
দু          দুঃখভোগী সব মানুষের কল্যাণে,
ল         লড়াই আমার চলতে থাকবে সবখানে।


মা         মাড়িয়ে সব দুর্নীতি আর লাঞ্ছনা,
ন          নব প্রীতির গাইবো গীতি-বন্দনা।
না         নাশ করে সব নির্যাতন এ ভূবনে,
ন          নতুন সুখের বান জাগাবো সব মনে।.।


ইয়া       ইয়াযিদী নীতি কভু মানবো না,
            আমার সংগ্রাম এর বিরুদ্ধে থামবে না।
কু         কুসুম বাগে ফুটবো গোলাপ ফুল হয়ে,
বী         বীরের বেশে ফিরবো সদা বিজয়ে।
                             ..........

Wednesday, December 6, 2017

রাসূল (সঃ)

           (সনেট)

       রাসূল (সঃ)

    মুহাম্মদ আবদুল মান্নান ইয়াকুবী

তুমিই শান্তিবাহক প্রেরিত রাসূল,
বিশ্বের আলো ও শ্রেষ্ঠ মানবতাবাদী,
ধরায় এসেছ পরে, সৃষ্টি ছিলে আদি,
নৃ-বাগে ফুটেছ হয়ে অপরূপ ফুল।
শত্রুর জ্ঞানেও তুমি  রয়েছ নির্ভুল,
ভূ-লোকে জীবনব্যাপী তোমার কার্যাদি
প্রমাণ করেছে তুমি  মানব দরদী,
ন্যায়-নীতি আর ধৈর্যে হয়েছ অতুল।

তুমি দক্ষ রাষ্ট্রনেতা, পথ প্রদর্শক,
সমাজ সংস্কারক, চির সত্যনিষ্ঠ,
আর কুপ্রথা নাশের বলিষ্ট নায়ক,
সুন্দর চরিত্রে তুমি হয়েছ সার্থক,
জ্ঞান ও দয়ায় তুমি সর্ব উৎকৃষ্ট,
আর স্রষ্টা ও সৃষ্টিতে সম্পর্ক স্থাপক।
                 .......

Sunday, October 15, 2017

নবীর ঘরের আহ্বান

মাদ্রাসার গান

মুহাম্মদ আবদুল মান্নান ইয়াকুবী

দ্বীন-দুনিয়ার আলো পেতে 
নবীর ঘরে চলে আয়,
চমকমারা যে আলোতে
সুপ্তহৃদয় জেগে যায়।
নূরের স্নিগ্ধ মলয়ে এর জীবন রাঙা হয়ে যায়-
দ্বীন-দুনিয়ার আলো পেতে নবীর ঘরে চলে আয়।।

মন রাখলি তুই ধরার কারায়
বন্দী রাত ও দিন,
জীবনটা তোর কাটছে বৃথা
আসলো না সুদিন।
দুনিয়াতে সুদিন পেতে নবীর ঘরে পথ দেখায়-
দ্বীন-দুনিয়ার আলো পেতে নবীর ঘরে চলে আয়।।

ভবের জীবন শেষ হলে তোর
আসবে দুঃখের কাল,
জানলি না তুই ভবের রঙে
ওই কালের হালচাল।
সেকালে সুখ লাভের শিক্ষা নবীর ঘরে পাওয়া যায় 
দ্বীন- দুনিয়ার আলো পেতে নবীর ঘরে চলে আয়।

 ভবের সিন্ধু পারের একে
যানও বলা চলে
ঝড়-তুফানে ডুববে না 
এ যানটি সিন্ধুর জলে।
উভয় কালের সিন্ধু পারে এ যানটিতে চড়তে আয়-
দ্বীন-দুনিয়ার আলো পেতে নবীর ঘরে চলে আয়।।
                        .......